তোমাদের মধ্যে যারা বিয়েহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও তারা যদি অভাবগ্রস্তও হয়,তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।

সুরা আন নুর : আয়াত ৩২
Biodata Number

তোমাদের মধ্যে যারা বিয়েহীন, তাদের বিয়ে সম্পাদন করে দাও তারা যদি অভাবগ্রস্তও হয়,তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে অভাবমুক্ত করে দেবেন।

সুরা আন নুর : আয়াত ৩২
Biodata Number

আপনার বায়োডাটা তৈরি করুন

যেভাবে বায়োডাটা বানাবেন(ভিডিও)

বিশেষ সুবিধা প্রিমিয়াম মেম্বারশিপ

মোট সফল বিবাহ
29

মোট সফল বিবাহ

মোট দ্বীনদার পাত্র-পাত্রীর বায়োডাটা
1392

মোট দ্বীনদার পাত্র-পাত্রীর বায়োডাটা

মোট পাত্রের বায়োডাটা
867

মোট পাত্রের বায়োডাটা

<h4 data-elementor-setting-key="content_text" data-pen-placeholder="Type Here..." style="letter-spacing: normal;"><span style="color: rgb(99, 0, 113); font-size: 30px; letter-spacing: 0px;">মোট পাত্রীর বায়োডাটা</span><span style="color: rgb(99, 0, 113); font-size: 30px; letter-spacing: 0px;"></span><br></h4>
524

মোট পাত্রীর বায়োডাটা

মোট পাত্র-পাত্রীর প্রিমিয়াম  বায়োডাটা
108

মোট পাত্র-পাত্রীর প্রিমিয়াম বায়োডাটা

মোট পাত্রের প্রিমিয়াম  বায়োডাটা
72

মোট পাত্রের প্রিমিয়াম বায়োডাটা

মোট পাত্রীর প্রিমিয়াম  বায়োডাটা
35

মোট পাত্রীর প্রিমিয়াম বায়োডাটা

ইসলামে জীবনসঙ্গী নির্বাচন

পাত্র-পাত্রী নির্বাচন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যে মানুষটির সাথে সারা জীবন অতিবাহিত করতে হবে সেই মানুষটির চারিত্রিক ও নৈতিক বৈশিষ্ট্য তার জীবনসঙ্গীর উপর অনেক প্রভাব বিস্তার করে।ইসলাম বিয়েকে ঈমানি দাবি হিসেবে উল্লেখ করেছে। বিয়ের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী হিসেবে নারী-পুরুষ পরস্পরকে বেছে নেয়ার অধিকার লাভ করে।ইসলামের দৃষ্টিতে সুস্থ, সবল ও সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা আবশ্যক। যেহেতু বিয়ের মাধ্যমে মানুষ জীবনসঙ্গী নির্বাচন করে,ইসলামী শরিয়ত বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর সাক্ষাৎকে বৈধ করেছে। বরং তাতে উৎসাহিত করেছে। যেন দাম্পত্যজীবনে অতৃপ্তি থেকে না যায়।

কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা বিয়ে করো সেই স্ত্রীলোককে, যাদের তোমাদের ভালো লাগে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৩)

রাসূলুল্লাহ (সা.) বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে আত্মিক ও ঈমানের সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন।তিনি বলেন, ‘নারীদের চারটি গুণ দেখে বিয়ে করো : তার সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার রূপ-সৌন্দর্য ও তার দ্বীনদারী।তবে তুমি দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেবে। নতুবা তুমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫০৯০)

রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের নিকট কোনো পাত্র বিয়ের প্রস্তাব দেয়, যার দ্বীনদারী ও চরিত্র তোমাদের যদি পছন্দ হয়,তাহলে তার সঙ্গে বিয়ে সম্পন্ন করো। অন্যথা জমিনে বড় বিপদ দেখা দেবে এবং সুদূরপ্রসারী বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ১০৮৪-৮৫)

“তোমরা নারীদের (কেবল) রূপ দেখে বিবাহ করো না। হতে পারে রূপই তাদের বরবাদ করে দেবে। তাদের অর্থ-সম্পদ দেখেও বিবাহ করো না, হতে পারে অর্থ-সম্পদ তাকে উদ্ধত করে তুলবে।বরং দ্বীন দেখেই তাদের বিবাহ কর। একজন নাক-কান-কাটা অসুন্দর দাসীও (রূপসী ধনবতী স্বাধীন নারী অপেক্ষা) শ্রেয়, যদি সে দ্বীনদার হয়। “(ইবনে মাজাহ)

“সমগ্র দুনিয়াটাই সম্পদ। এর মধ্যে সবচাইতে উত্তম সম্পদ হলো পরহেযগার স্ত্রী। “(মুসলিম – ৩৭১৬)

উপরিউক্ত উল্লিখিত হাদিস সমূহের শিক্ষা হল, পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে দ্বীনদারী ও সচ্চরিত্রকে সবার উপরে রাখতে হবে। সৌন্দর্য, অর্থ-সম্পদ ও বংশীয় সমতাও বিচার্য হবে, কিন্তু সবগুলো দ্বীনদারীর পরবর্তী স্তরে।আল্লাহ্‌ সবাইকে উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দিক।আমিন।

© কপিরাইট দ্বীনদার পার্টনার @২০২১-২০২২

যোগাযোগ করুন- 01701765284